রক্তের কালোবাজারির চক্রের তিন পান্ডা গ্রেপ্তার - The News Lion

রক্তের কালোবাজারির চক্রের তিন পান্ডা গ্রেপ্তার

 


দি নিউজ লায়ন;   রক্তের কালোবাজারির চক্রের তিন পান্ডা গ্রেপ্তার । ধৃতদের মধ্যে একজন আবার মালদা মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাংকের গ্রুপ ডি পদে কর্মরত বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে মালদা মেডিকেল কলেজ চত্বরে। এদিন ওই তিনজনকে মালদা আদালতে পেশ করেছে সংশ্লিষ্ট থানার তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা । কিভাবে ধৃতেরা মোটা টাকার বিনিময়ে রক্তের কালোবাজারি চালাচ্ছিল তা নিয়েও প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে তদন্তকারী পুলিশ কর্তারা।


পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,  ধৃতদের নাম সুজিত রায় (৪৫), মলয় কুণ্ডু (৪৪) ও দেবব্রত দত্ত (৪৫)। সুজিতের বাড়ি মালদা শহরের পুরাটুলি এলাকায়। বাকি দুজনের বাড়ি ২ নম্বর গভ: কলোনির বাসিন্দা। এদিন সকালে মালদা মেডিকেলের ব্লাড ব্যাংক সংলগ্ন এলাকা থেকে এদের গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘদিন ধরেই মালদা মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাংকে রক্তের সংকট চলছে। তার ওপর করোণা পরিস্থিতিতে লকডাউন জেরে রক্তের আকাল আরো বেড়ে গিয়েছে। আর এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ওই তিন অভিযুক্ত মোটা টাকার বিনিময়ে রক্তের কালোবাজারি চালাচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ সূত্র থেকে পুলিশ ওই তিনজনের সম্পর্কে এই কালোবাজারি চালানোর তথ্য জানতে পারে। এরপরই এদিন সকালে সাদা পোশাকের পুলিশ ব্লাড ব্যাংক সংলগ্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে প্রথমে দুইজনকে, পরে গ্রুপ-ডি কর্মরত ব্লাড ব্যাংকের আরো এক কর্মীকে গ্রেফতর করে।


প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানতে পেরেছে, বিভিন্ন এলাকায় রক্তদান শিবিরের পর সেই রক্তের ইউনিটগুলি মেডিকেল কলেজের ব্লাড ব্যাংকে সংরক্ষিত করে রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু অদ্ভুতভাবে রক্তের কালোবাজারি করার জন্য একটা সংকটজনক পরিস্থিতির তৈরি করছিল অভিযুক্তেরা । এতে করেই বিভিন্ন ধরনের রোগীর আত্মীয়দের কাছ থেকে মোটা টাকা নিয়ে রক্তের কালোবাজারি করা হতো বলে অভিযোগ।


ইংরেজবাজার থানার পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত তিন জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই এদিন ওই তিনজনকে গ্রেপ্তার করার পর মালদা আদালতের মাধ্যমে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হয়েছে । এই কালোবাজারি চক্র কতদিন ধরে চলছে এবং আরও কারা এই অসাধু কারবারের সঙ্গে জড়িত রয়েছে সে ব্যাপারেও তদন্ত চালানো শুরু করা হয়েছে। ধৃতদের কাছ থেকে ইতিমধ্যে বেশ কিছু তথ্য হাতে এসেছে পুলিশের। 



কোন মন্তব্য নেই

Thankyou To Comment us

Blogger দ্বারা পরিচালিত.